শিরোনাম:
ঢাকা, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১

Daily Pokkhokal
মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল ২০২৫
প্রথম পাতা » বিশ্ব সংবাদ » গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত সাংবাদিকের সংখ্যা বেড়ে ২০৯
প্রথম পাতা » বিশ্ব সংবাদ » গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত সাংবাদিকের সংখ্যা বেড়ে ২০৯
১০ বার পঠিত
মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল ২০২৫
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত সাংবাদিকের সংখ্যা বেড়ে ২০৯

---আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০১ এপ্রিল ২০২৫

ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের জন্য গাজায় ইসরায়েলি হামলার খবর প্রচার করা শুধু একটি পেশাগত দায়িত্বই নয়, বরং বেঁচে থাকার লড়াইও। গত ২৪ মার্চ ইসরায়েলি হামলায় আল জাজিরা মুবারাশার-এর সংবাদদাতা হোসাম শাবাত এবং ফিলিস্তিন টুডে-এর প্রতিবেদক মোহাম্মদ মনসুর এবং এরপর এক হামলায় সাওত আল-আকসা রেডিওর সম্প্রচারক মোহাম্মদ সালেহ আল-বারদাউইল নিহত হয়। তাদের মৃত্যু এই যুদ্ধের ফলে নিহত সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমকর্মীদের ভয়াবহ সংখ্যাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।
ফিলিস্তিনি সাংবাদিক সংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত ২০৯ সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমকর্মী নিহত হয়েছেন। তবুও যারা এখনও জীবিত আছেন, তারা প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে এই ধ্বংসযজ্ঞের দলিল রচনা করে চলেছেন।

গাজায় গণমাধ্যমকর্মীদের লক্ষ্যবস্তু করা নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রেস চিহ্নিত যানবাহন ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার শিকার হয়েছে। এমনকি বাস্তুহারা বেসামরিক নাগরিক ও সাংবাদিকদের আশ্রয়স্থলও রেহাই পায়নি।

কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছে। সংস্থাটির এক মুখপাত্র বলেছেন, একজন সাংবাদিক বা একজন বেসামরিক নাগরিককে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করা যুদ্ধাপরাধ।
টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে অফিসটি জানিয়েছে, এটি ইসরায়েলি বাহিনীর দ্বারা ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের লক্ষ্যবস্তু করা, হত্যা ও গুপ্তহত্যার ঘটনাকে তীব্রতম ভাষায় নিন্দা জানাচ্ছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আমরা আন্তর্জাতিক সাংবাদিক ফেডারেশন, আরব সাংবাদিক ফেডারেশন এবং বিশ্বের সকল সাংবাদিক সংস্থাকে গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনি সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের বিরুদ্ধে সংঘটিত এই ধারাবাহিক অপরাধের নিন্দা জানানোর আহ্বান জানাই।
অবিরাম হামলার মধ্যেও গাজার সাংবাদিকরা তাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। উত্তর গাজার ফ্রিল্যান্স ফটোসাংবাদিক আবদেলহাকিম আবু রিয়াশ বলেছেন, আমি ক্রমশ রিপোর্ট করার জন্য জায়গার অভাব অনুভব করছি এবং সহকর্মীদেরও হারাচ্ছি।
কিন্তু থেমে যাওয়া তার জন্য কোনও বিকল্প নয়। তিনি বলেন, কারণ যদি আমরা থেমে যাই, তাহলে বিশ্বকে জানানোর মতো কেউ থাকবে না যে -এখানে কী ঘটছে।



আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)